তাজহাট জমিদার বাড়ি

তাজহাট জমিদার বাড়ি

উত্তরবঙ্গের রংপুরে প্রত্নতাত্তিক নিদর্শনের অন্যতম স্মারক তাজহাট জমিদার বাড়ি।যদিও বর্তমানে তাজহাট বিখ্যাত জমিদার বাড়ির কারনে কিন্তু অতিতে এটি বিখ্যাত ছিল তাজ বা মুকুটের কারনে। এ তাজ ভারতবর্ষের সব রাজা ও জমিদারের কাছে ছিল প্রিয়।প্রাসাদটি বিংশ শতাব্দীর মহারাজা কুমার গোপাল রায় নির্মান করেন। মুলত এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা মান্নানলাল রায় সুদূর পাঞ্জাব থেকে রংপুরের বিশিষ্ঠ সমৃদ্ধ স্থান মাহিগঞ্জে স্বর্ন ব্যাবসা করার জন্য এসেছিলেন।

গোবিন্দলাল ১৮১৯ সালে জমিদারির উত্তরাধিকার হন।তিনি ছিলেন একজন স্বাধীনচেতা ও খুব জনপ্রিয় শাসক।এখানে তিনি হীরা জহরত ও স্বর্নালংকারের ব্যবসা করতেন।প্রথমে তিনি নানা ধরনের হীরা মানিক জহরত খচিত নানা ধরনের তাজ বা টুপির ব্যবসা করেছেন। ওই তাজ বিক্রির লক্ষ্যে ওখানে হাট বসে, যা পরবর্তীতে বিরাট প্রসিদ্ধ লাভ করে।এ তাজ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জমিদার বাড়ির নাম করা হয় তাজহাট জমিদার বাড়ী।জমিদার বাড়ীর ওই প্রাসাদটি প্রায় ২১০ ফুটের মত প্রশস্ত ও চার তলার সমান উচু। সর্বমোট ৩১ টি সিড়ি আছে যার প্রতিটাই ইতালীয় ঘরানার মার্বেল পাথরে তৈরি।সিড়ী থেকে উঠে জাদুঘর পর্যন্ত পুরোটা একই পাথরে তৈরি.১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ প্রাসাদটিকে সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে ঘোষনা করে।

 

তথ্য ও ছবিঃ ইন্টারনেট